গরুপাচার তদন্তে এবার সিবিআইয়ের দোসর হল ইডি

বাংলাদেশ সীমান্তে আন্তর্জাতিক গরুপাচার চক্রের পর্দাফাঁস করে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এবার গরুপাচারের আর্থিক তছরুপের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করল কেন্দ্রীয় আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট বা ইডি। সম্প্রতি গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডান্ট সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। 

 


এর আগে গরুপাচারের ‘কিংপিন’ এনামুল হককেও গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তদন্ত যত এগিয়েছে ততই কোটি কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের ঘটনা সামনে এসেছে। এরপরই আসরে নামলো ইডি। সূত্রের খবর, ইডি সতীশ কুমার সহ কয়েকজন বেসরকারি এবং সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। মঙ্গলবার বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করে প্রায় ৭ ঘন্টা জেরা করে সিবিআই তদন্তকারীরা। এনামুল এবং সতীশ কুমারকে জেরার সূত্রেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গরুপাচারকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার খেলা চলে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়। এই টাকার ভাগ চলে যায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কয়েকজন আধিকারিক সহ রাজনৈতিক নেতাদের কাছেও। 


সিবিআই জানতে পেরেছে বাংলাদেশে পাচার হওয়া গরুর অধিকাংশই আসতো রাজস্থান, বিহার, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, মধ্য প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অসম, ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্য থেকে। আর এই গুরুগুলি মূলত পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্ত দিয়েই পাচার করা হতো। পাচারের টাকার একটা বড় অংশ এনামুলের মাধ্যমে পৌঁছে যেত সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা ইডি এই দিকটিই খুঁটিয়ে তদন্ত শুরু করবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসকদলের তাবর নেতাদের দিকেও নজর থাকবে ইডির।  




Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم