হাওড়া এবং শিয়ালদার মতো পূর্ব রেলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনে জিআরপি, আরপিএফ এবং রাজ্য পুলিশের কড়া নজরদারি রয়েছে। বড় স্টেশনগুলিতে নির্দিষ্ট প্রবেশপথ দিয়েই প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে হচ্ছে পুলিশের কড়া নজরদারিতে। কিন্তু শহরতলির বেশিরভাগ স্টেশনই কার্যত অরক্ষিত। রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে আসা যায় প্ল্যাটফর্মে। সেখানেই কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে সামাজিক দূরত্ববিধি? বড় স্টেশনগুলি বাদে বেশিরভাগ স্টেশনেই অস্থায়ী বেড়া দিয়ে আটকানো হয়েছে অরক্ষিত প্রবেশপথগুলি। সেখানে রয়েছে পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়াররা। পাশাপাশি স্টেশনগুলিতে ক্রমাগত চলছে সচেতনতামূলক মাইকিং। ভিড় সামলাতে কখনও রেল পুলিশকে হ্যান্ড মাইক নিয়ে রেলযাত্রীদের সচেতন করতে দেখা গিয়েছে। আবার কখনও মাস্ক পরে ঢোকার জন্য আবেদন করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।
অনেক স্টেশনেই কম টিকিট কাউন্টার খোলার জন্য ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দক্ষিণের সোনারপুর, বারুইপুর বা উত্তরের সোদপুর, ব্যারাকপুরের মতো স্টেশনে কম কাউন্টার খোলার অভিযোগ তুলছেন নিত্যযাত্রীরা। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বভাবতই খুশি যাত্রীদের একাংশ, তাঁরা সকাল থেকেই সামাজিক দূরত্ব মেনে টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শিয়ালদা দক্ষিণের ডায়মন্ড হারবার স্টেশনে ভোর রাত থেকেই টিকিট কাউন্টারে ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।
অফিস টাইমে শহরতলির প্রান্তিক স্টেশনগুলি থেকে ট্রেন ছাড়ার আগে আরপিএফ এবং পুলিশকর্মীরা সিটে সামাজিক দূরত্ব মেনেই বসার ব্যবস্থা করেছেন নিত্যযাত্রীদের। কিন্তু গন্তব্যের দিকে ট্রেন যত এগিয়েছে ভিড় ততই বেড়েছে। ফলে কার্যত শিকেয় উঠেছে সামাজিক দূরত্ব। যদিও প্রথম দিনে যাত্রী সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের থেকে অনেক কম। ফলে আগামীদিনে ভিড় বাড়লে কী হবে সেটা নিয়েই চিন্তিত প্রশাসন থেকে নিত্যযাত্রীদের একাংশ।




إرسال تعليق
Thank You for your important feedback