
বুধবার রাত থেকেই উত্তপ্ত ছিল হাওড়ার বাগনান। বৃহস্পতিবার সকালে মৃতার দেহ এলাকায় আসতেই আগুনে ঘি পড়ল। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মৃতার পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী। এমনকি ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এক অভিযুক্তের বাড়ি। ঘটনাস্থলে যান বিজেপি, কংগ্রেস ও বাম নেতানেত্রীরা। মঙ্গলবার রাতে মেয়েকে শ্লীলতাহানির হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল মায়ের। অভিযোগ, তাঁকে অভিযুক্তরা ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছিল।

এদিন সকালে ময়নাতদন্তের পর ওই মহিলার দেহ আসে বাগনানে। এরপরই দফায় দফায় অশান্তি ছড়ায় এলাকায়। দেহ প্রথমেই নিয়ে যাওয়া হয় উলুবেড়িয়া আদালত চত্বরে। সেখানেই দেহ রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মৃতার পরিজন ও এলাকাবাসী। সেখানে দাবি ওঠে যাতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী না দাঁড়ান। এরপরই দেহ নিয়ে যাওয়া হয় মৃতার বাড়িতে। সেখানে পৌঁছানোর পরই ক্ষুব্ধ জনতা পাশেই এক অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপরই পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা।

খবর পেয়ে সেখানে বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে পৌঁছে যান হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিক মৌর্য। ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় র্যাফ। পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিন বাগনানে মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পরে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন বিজেপি নেত্রী। এছাড়াও এদিন কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্রও যান মৃতার বাড়িতে। উল্লেখ্য, এই শ্লীলতাহানির ঘটনায় নাম জড়িয়েছে বাগনান ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যার স্বামী-সহ দু’জনের।

Post a Comment
Thank You for your important feedback