অর্থাৎ হল্ট কমিয়ে দেওয়া হবে ট্রেনগুলির। ফলে একদিকে যেমন ট্রেনগুলির গতি বাড়বে অন্যদিকে অন্যান্য দূরপাল্লার ট্রেনেরও চলাচলে সুবিধা হবে। রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে এই সমস্ত ট্রেনের তালিকা পাঠিয়ে মধ্যবর্তী হল্ট কমিয়ে নতুন টাইমটেবল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণত গরিব ও প্রান্তিক মানুষজনই এই সমস্ত কম ভাড়ার প্যাসেঞ্জার ট্রেনে যাতায়াত করেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে এগুলি এক্সপ্রেস ট্রেনে রূপান্তরিত হলে চরম সমস্যায় পড়বেন তাঁরাই। যদিও রেলমন্ত্রকের দাবি, এই সমস্ত ট্রেনগুলিতে যাত্রী সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। তাই লাভের আশায় ট্রেনগুলি এক্সপ্রেসে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।


Post a Comment
Thank You for your important feedback