করোনার ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মধ্যেই সুখবর। দিল্লিতে করোনা থেকে সুস্থতার হার এখন ৮৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ভালো হচ্ছে। এপ্রিলে সুস্থতার হার ছিল ৭.৮৫ শতাংশ। এখন তা ৬৪.৪ শতাংশ। সবমিলিয়ে দেশে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ সুস্থ হয়েছেন। এটা সম্ভব হয়েছে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস কাজের জন্যই। সুস্থতার জাতীয় গড়ের থেকে বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন ১৬টি রাজ্যে। দিল্লি ছাড়া লাদাখে ৮০ শতাংশ, হরিয়ানায় ৭৮ শতাংশ, অসমে ৭৬ শতাংশ, তেলেঙ্গানায় ৭৪ শতাংশ, তামিলনাডু ও গুজরাতে ৭৩ শতাংশ, রাজস্থানে ৭০ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৬৯ শতাংশ এবং গোয়ায় ৬৮ শতাংশ। এদিকে, গোষ্ঠী সংক্রমণ ভারতের মতো দেশে করোনাকে ঠেকাতে পারবে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদেশের যা আয়তন তাতে টিকার উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই। তারপরেই গোষ্ঠী সংক্রমণ হতে পারে। গোষ্ঠী সংক্রমণ তখনই হয় যখন স্বাভাবিকভাবেই করোনা থেমে যায় এবং যখন বেশিরভাগ মানুষেরই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায়। তাতে সংক্রমণ ছড়ানো কমে যায়। এখন ভারতে ৩.৬ শতাংশ সংক্রমণের হার আমেরিকার থেকে প্রায় দ্বিগুণ। সেদেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১.৬ শতাংশ, ব্রাজিলে ২.৩ শতাংশ।
করোনার ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মধ্যেই সুখবর। দিল্লিতে করোনা থেকে সুস্থতার হার এখন ৮৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ভালো হচ্ছে। এপ্রিলে সুস্থতার হার ছিল ৭.৮৫ শতাংশ। এখন তা ৬৪.৪ শতাংশ। সবমিলিয়ে দেশে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ সুস্থ হয়েছেন। এটা সম্ভব হয়েছে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস কাজের জন্যই। সুস্থতার জাতীয় গড়ের থেকে বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন ১৬টি রাজ্যে। দিল্লি ছাড়া লাদাখে ৮০ শতাংশ, হরিয়ানায় ৭৮ শতাংশ, অসমে ৭৬ শতাংশ, তেলেঙ্গানায় ৭৪ শতাংশ, তামিলনাডু ও গুজরাতে ৭৩ শতাংশ, রাজস্থানে ৭০ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৬৯ শতাংশ এবং গোয়ায় ৬৮ শতাংশ। এদিকে, গোষ্ঠী সংক্রমণ ভারতের মতো দেশে করোনাকে ঠেকাতে পারবে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদেশের যা আয়তন তাতে টিকার উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই। তারপরেই গোষ্ঠী সংক্রমণ হতে পারে। গোষ্ঠী সংক্রমণ তখনই হয় যখন স্বাভাবিকভাবেই করোনা থেমে যায় এবং যখন বেশিরভাগ মানুষেরই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায়। তাতে সংক্রমণ ছড়ানো কমে যায়। এখন ভারতে ৩.৬ শতাংশ সংক্রমণের হার আমেরিকার থেকে প্রায় দ্বিগুণ। সেদেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১.৬ শতাংশ, ব্রাজিলে ২.৩ শতাংশ।
Post a Comment
Thank You for your important feedback