দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা সফল হল রবিবার। প্রাথমিকভাবে এদিন একটি ট্রেন ৫০টি কন্টেনার নিয়ে পেট্রাপোল স্থলবন্দর থেকে বাংলাদেশে যায়। এই কন্টেনারগুলিতে মূলত টেক্সটাইল ও কসমেটিকসের মাল ছিল। আমদানিকারী সংস্থা মনে করছে, এই পথে ঝামেলা ও সময় খুব কম লাগবে। তাতে ভারত বাংলাদেশ মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলেই তাঁরা মনে করছেন। সকালে ট্রেনটি পেট্টাপোল স্টেশনে এসে পৌঁছায়। সেখানে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পরে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। মাঝেরহাট স্টেশন থেকে পণ্য বোঝাই হয়েছে। বেনাপোল পণ্য নামানো হবে। আগামী দিনে ট্রেন সংখ্যা ও বগি সংখ্যা বাড়িয়ে বাংলাদেশের যশোর-খুলনা পর্যন্ত যাওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে আমদানিকারী সংস্থার। এবিষয়ে কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার মিহিরকুমার চন্দ্র বলেন, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় প্রাথমিকভাবে একটি ট্রেন বাংলা গেল। এতে বাণিজ্যিক সুবিধা হবে তেমনি ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দেরি হবে। যদিও তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টরা। তাঁরা মনে করছেন, সড়কপথের বদলে যদি রেলপথে আমদানি রপ্তানির কাজ শুরু হয় তাহলে কর্মহীন হয়ে পড়বেন লক্ষাধিক মানুষ।
দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা সফল হল রবিবার। প্রাথমিকভাবে এদিন একটি ট্রেন ৫০টি কন্টেনার নিয়ে পেট্রাপোল স্থলবন্দর থেকে বাংলাদেশে যায়। এই কন্টেনারগুলিতে মূলত টেক্সটাইল ও কসমেটিকসের মাল ছিল। আমদানিকারী সংস্থা মনে করছে, এই পথে ঝামেলা ও সময় খুব কম লাগবে। তাতে ভারত বাংলাদেশ মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলেই তাঁরা মনে করছেন। সকালে ট্রেনটি পেট্টাপোল স্টেশনে এসে পৌঁছায়। সেখানে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পরে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। মাঝেরহাট স্টেশন থেকে পণ্য বোঝাই হয়েছে। বেনাপোল পণ্য নামানো হবে। আগামী দিনে ট্রেন সংখ্যা ও বগি সংখ্যা বাড়িয়ে বাংলাদেশের যশোর-খুলনা পর্যন্ত যাওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে আমদানিকারী সংস্থার। এবিষয়ে কাস্টমসের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার মিহিরকুমার চন্দ্র বলেন, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় প্রাথমিকভাবে একটি ট্রেন বাংলা গেল। এতে বাণিজ্যিক সুবিধা হবে তেমনি ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দেরি হবে। যদিও তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টরা। তাঁরা মনে করছেন, সড়কপথের বদলে যদি রেলপথে আমদানি রপ্তানির কাজ শুরু হয় তাহলে কর্মহীন হয়ে পড়বেন লক্ষাধিক মানুষ।
Post a Comment
Thank You for your important feedback