ফের কাঠগড়ায় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল।বিল বকেয়া থাকায় মৃতদেহ আটকে পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগ।পরিবারকে সাড়ে দশ লক্ষ টাকা বিল ধরিয়েছে হাসপাতাল এরমধ্যে হাসপাতালের বিল ৯লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা, চিকিৎসকের বিল ১ লক্ষ ২৭হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে পরিবারকের বিল ১লক্ষ ২৭হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে পরিবার। তারপরও দেহ না ছাড়ার অভিযোগ। পরে সিএনে খবর সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বকেয়া ৩ লক্ষের পরিবর্তে ১লক্ষ টাকা দিয়েই মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল। ব্রেন স্ট্রোক নিয়ে গত ৩ জুলাই উল্টোডাঙার বাগমারি রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দক্ষিণ দমদমের যোগীপাড়ার বাসিন্দা নিত্যানন্দ সাহাকে।রোগী অনেকটাই সুস্থ বলে ১ সপ্তাহ আগে পরিবারকে জানায় হাসপাতাল। বলা হয় দিন কয়েকের মধ্যেই বাড়ি ফিরতে পারবেন রোগী।এরপরই হঠাৎ বলা হয়, নিত্যানন্দবাবুর অবস্থার অবনতি হয়েছে। রোগীকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছে।পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথাও জানতে চায় হাসপাতাল এমনটাই অভিযোগ। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি মন্দা, হাসপাতালকে জানিয়েছিল পরিবার। অভিযোগ, এরপর সোমবার রাত ১১.৩০ নাগাদ হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলা হয়, ১০মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে রোগীর। পরিবার তাড়াতাড়ি যেন হাসপাতালে পৌঁছে যায়। কীভাবে মৃত্যুর সময় বলতে পারে হাসপাতাল? প্রশ্ন তুলছেন মৃতের ছেলে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাল্টা মৃতের পরিবারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন তাঁরা। গত রবিবারই দমদমের এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ২৩ লক্ষ টাকা বিল ধরানোর অভিযোগ ওঠে। দমদমের এক চিকিৎকের পরিবার এই অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্যভবনের দ্বারস্থ হয়। স্বাস্থ্যভবনের হস্তক্ষেপে বিল কমে দাঁড়ায় ১৬ লক্ষ। পরে কলকাতা মেডিক্যালে মৃত্যু হয় ওই চিকিৎসকের। তার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শহরের আরও এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সেই একই অমানবিকতার অভিযোগ।
ফের কাঠগড়ায় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল।বিল বকেয়া থাকায় মৃতদেহ আটকে পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগ।পরিবারকে সাড়ে দশ লক্ষ টাকা বিল ধরিয়েছে হাসপাতাল এরমধ্যে হাসপাতালের বিল ৯লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা, চিকিৎসকের বিল ১ লক্ষ ২৭হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে পরিবারকের বিল ১লক্ষ ২৭হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বিল মিটিয়েছে পরিবার। তারপরও দেহ না ছাড়ার অভিযোগ। পরে সিএনে খবর সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বকেয়া ৩ লক্ষের পরিবর্তে ১লক্ষ টাকা দিয়েই মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল। ব্রেন স্ট্রোক নিয়ে গত ৩ জুলাই উল্টোডাঙার বাগমারি রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দক্ষিণ দমদমের যোগীপাড়ার বাসিন্দা নিত্যানন্দ সাহাকে।রোগী অনেকটাই সুস্থ বলে ১ সপ্তাহ আগে পরিবারকে জানায় হাসপাতাল। বলা হয় দিন কয়েকের মধ্যেই বাড়ি ফিরতে পারবেন রোগী।এরপরই হঠাৎ বলা হয়, নিত্যানন্দবাবুর অবস্থার অবনতি হয়েছে। রোগীকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছে।পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথাও জানতে চায় হাসপাতাল এমনটাই অভিযোগ। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি মন্দা, হাসপাতালকে জানিয়েছিল পরিবার। অভিযোগ, এরপর সোমবার রাত ১১.৩০ নাগাদ হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলা হয়, ১০মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে রোগীর। পরিবার তাড়াতাড়ি যেন হাসপাতালে পৌঁছে যায়। কীভাবে মৃত্যুর সময় বলতে পারে হাসপাতাল? প্রশ্ন তুলছেন মৃতের ছেলে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাল্টা মৃতের পরিবারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন তাঁরা। গত রবিবারই দমদমের এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ২৩ লক্ষ টাকা বিল ধরানোর অভিযোগ ওঠে। দমদমের এক চিকিৎকের পরিবার এই অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্যভবনের দ্বারস্থ হয়। স্বাস্থ্যভবনের হস্তক্ষেপে বিল কমে দাঁড়ায় ১৬ লক্ষ। পরে কলকাতা মেডিক্যালে মৃত্যু হয় ওই চিকিৎসকের। তার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শহরের আরও এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সেই একই অমানবিকতার অভিযোগ।
Post a Comment
Thank You for your important feedback