রাজ্যে ৫টি ক্যাটাগরিতে রেশন পান গ্রাহকরা। এর মধ্যে ৩টি খাদ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীন প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার অন্তর্গত। কেন্দ্রীয় ৩টি প্রকল্প হল এএওয়াই, পিএইচএইচ ও এসপিএইচএইচ। ওছাড়াও ২টি রয়েছে এরাজ্যে রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা (RKSY) এর ১ ও ২। বিতর্কের কেন্দ্রে এই আরকেএসওয়াই-২ কার্ডে রেশনে চালের বরাদ্দ নিয়ে। সম্প্রতি রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, আগস্ট মাস থেকে আরকেএসওয়াই-২ কার্ডে রেশনে চালের পরিমান ৫ কেজি থেকে কমিয়ে মাথা পিছু ১ কিলো করা হয়েছে। সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন ১ কেজি গম। সূত্রের খবর, রাজ্যে আরকেএসওয়াই-২ কার্ড আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি। যারা মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। কিন্তু কেন অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য বরাদ্দ চালের পরিমাণ ৪ কেজি কমিয়ে দেওয়া হল ? যদিও কেন কমানো হল বরাদ্দ, সে সম্পর্কে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস ডিলার্স ফেডারেশনের সধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসুও। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই গত ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, লকডাউন পরবর্তীতেও আগামী ১ বছর বিনামূল্যে রেশন পাবেন রাজ্যের মানুষ। এবছর ২১ জুলাইয়ের রাজনৈতিক মঞ্চেও একই ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ধরে নেওয়া যায় রাজ্যের ভাঁড়ারে চালের ঘাটতি নেই বলেই এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তা হলে তারপরেও কেন হঠাৎ আরকেএসওয়াই-২ গ্রাহকদের জন্য রেশনে চালের বরাদ্দ কমানো হল, প্রশ্ন উঠছে।
রাজ্যে ৫টি ক্যাটাগরিতে রেশন পান গ্রাহকরা। এর মধ্যে ৩টি খাদ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীন প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনার অন্তর্গত। কেন্দ্রীয় ৩টি প্রকল্প হল এএওয়াই, পিএইচএইচ ও এসপিএইচএইচ। ওছাড়াও ২টি রয়েছে এরাজ্যে রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা (RKSY) এর ১ ও ২। বিতর্কের কেন্দ্রে এই আরকেএসওয়াই-২ কার্ডে রেশনে চালের বরাদ্দ নিয়ে। সম্প্রতি রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, আগস্ট মাস থেকে আরকেএসওয়াই-২ কার্ডে রেশনে চালের পরিমান ৫ কেজি থেকে কমিয়ে মাথা পিছু ১ কিলো করা হয়েছে। সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন ১ কেজি গম। সূত্রের খবর, রাজ্যে আরকেএসওয়াই-২ কার্ড আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি। যারা মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। কিন্তু কেন অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য বরাদ্দ চালের পরিমাণ ৪ কেজি কমিয়ে দেওয়া হল ? যদিও কেন কমানো হল বরাদ্দ, সে সম্পর্কে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস ডিলার্স ফেডারেশনের সধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসুও। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই গত ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, লকডাউন পরবর্তীতেও আগামী ১ বছর বিনামূল্যে রেশন পাবেন রাজ্যের মানুষ। এবছর ২১ জুলাইয়ের রাজনৈতিক মঞ্চেও একই ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ধরে নেওয়া যায় রাজ্যের ভাঁড়ারে চালের ঘাটতি নেই বলেই এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তা হলে তারপরেও কেন হঠাৎ আরকেএসওয়াই-২ গ্রাহকদের জন্য রেশনে চালের বরাদ্দ কমানো হল, প্রশ্ন উঠছে।
Post a Comment
Thank You for your important feedback