নির্মীয়মান একটি সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে নেমেছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলার দেবীপুর বাজারে ওই সেপটিক ট্যাঙ্কেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বিষাক্ত গ্যাস প্রাণ কাড়ল ৬ অসহায় শ্রমিকের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার এক বাসিন্দা সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরি করাচ্ছিলেন। ব্রজেশ চন্দ্র বার্নওয়াল নামে ওই ব্যক্তি আরও কয়েকজন শ্রমিককে নিয়ে সেপটিক ট্যাঙ্কটিতে নেমেছিলেন কাজ করতে। ২০ ফুট গভীর ও ৭ ফুট চওড়া ওই ট্যাঙ্কের ভিতর নামার পরই বিষাক্ত গ্যাসে একে একে অচেতন হয়ে পড়েন ৬ জন। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হলে দেখা যায় কারও শরীরেই প্রাণ নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে লিলু মুর্মু (২২) নামে এক শ্রমিক ওই ট্যাঙ্কে নামে। তাঁর সাড়াশব্দ পাওয়া না যাওয়ায় একে একে নামেন, ঠিকাদার গোবিন্দ মাঝি (৫০), লালু মাঝি (২৫)। তাঁদেরও কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে মালিক ব্রজেশ চন্দ্র বার্নওয়াল (৪০) ও তাঁর ভাই মিথিলেশ বার্নওয়াল (৪০) ওই ট্যাঙ্কে নেমে খোঁজ করতে যান। প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে। পরপর ৬ জনের কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর যায় পুলিশে। এরপর পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। উদ্ধার হয় ৬ জনের মৃতদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত কার্বন মনোক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাসেই মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
নির্মীয়মান একটি সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে নেমেছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলার দেবীপুর বাজারে ওই সেপটিক ট্যাঙ্কেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বিষাক্ত গ্যাস প্রাণ কাড়ল ৬ অসহায় শ্রমিকের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার এক বাসিন্দা সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরি করাচ্ছিলেন। ব্রজেশ চন্দ্র বার্নওয়াল নামে ওই ব্যক্তি আরও কয়েকজন শ্রমিককে নিয়ে সেপটিক ট্যাঙ্কটিতে নেমেছিলেন কাজ করতে। ২০ ফুট গভীর ও ৭ ফুট চওড়া ওই ট্যাঙ্কের ভিতর নামার পরই বিষাক্ত গ্যাসে একে একে অচেতন হয়ে পড়েন ৬ জন। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হলে দেখা যায় কারও শরীরেই প্রাণ নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে লিলু মুর্মু (২২) নামে এক শ্রমিক ওই ট্যাঙ্কে নামে। তাঁর সাড়াশব্দ পাওয়া না যাওয়ায় একে একে নামেন, ঠিকাদার গোবিন্দ মাঝি (৫০), লালু মাঝি (২৫)। তাঁদেরও কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে মালিক ব্রজেশ চন্দ্র বার্নওয়াল (৪০) ও তাঁর ভাই মিথিলেশ বার্নওয়াল (৪০) ওই ট্যাঙ্কে নেমে খোঁজ করতে যান। প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে। পরপর ৬ জনের কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর যায় পুলিশে। এরপর পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। উদ্ধার হয় ৬ জনের মৃতদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত কার্বন মনোক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাসেই মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback