দেশের প্রকৃত জিডিপি এই অর্থবর্ষে ঋণাত্মক বা নেগেটিভ থাকবে। ব্যাঙ্কগুলিতে প্রচুর পরিমাণে নগদ জোগানের পরও বিভিন্ন প্রকল্পে সাড়া মেলেনি। এখনও ঋণ নেওয়ার হার ৬ শতাংশ, যা ৬ দশকে সবথেকে কম। খাদ্যসামগ্রীর দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতির হার জুনে বেড়ে হয়েছে ৬.০৯ শতাংশ। সরকারের পক্ষ থেকে এই হার কমবেশি ৪ শতাংশে রাখার কথা বলা হয়েছিল।
তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আশা, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে অবস্থা বদলাতেও পারে। মে-জুন মাসে অর্থনীতির উন্নতির যে লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় জুলাইয়ে তা ফের কমেছে। ২০২১ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি বেশিই থাকবে। তবে তাদের আশা, এবার কৃষির ফলন হবে প্রচুর এবং গ্রামীণ অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। রফতানি কমেছে পরপর চারমাস।
অন্যদিকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, পরিবর্তন হচ্ছে না রেপো রেট বা রিভার্স রেপো রেটের। রেপো রেট ৪ শতাংশেই রইল। রিভার্স রেপো রেট ৩.৫ শতাংশেই থাকছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে ঋণ দেয়, তা রেপো রেট। বৃহস্পতিবার উল্লেখ্য, মহামারি ও লকডাউনের জেরে ধ্বস্ত অর্থনীতি সামলাতে ফেব্রুয়ারি থেকে দফায় দফায় ব্যাঙ্কগুলির রেপো রেট ১১৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়েছে।
Post a Comment
Thank You for your important feedback