লক্ষ্মীপুজো সাধারণত ওপার বাংলার মানুষদের বাড়িতেই হয়ে থাকে আর হয় বনেদি ওই বাড়িগুলিতে যেখানে দুর্গাপুজো হয়ে থাকে। কিন্তু শোনা যায় খাস ঘটিবাড়ির লক্ষ্মীপুজো হয়ে থাকে কালীপুজোর দিন অর্থাৎ অমাবস্যায় যাকে অলক্ষী বিদায় বা মহালক্ষ্মী পুজো বলা হয় যা সারা ভারতে প্রচলিত। এই মিথটাকে ভাঙতেই মহানায়ক উত্তমকুমার তাঁর ভবানীপুরের বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মী আরাধনা শুরু করেন।
খুম ধুমধাম করেই পুজো হত। কয়েকশো মানুষ নিমন্ত্রিত থাকতেন। উত্তম নিজে ব্রাহ্মণ ছিলেন কিন্তু পুরোহিতকে দিয়েই পুজো যজ্ঞ সারতেন তিনি। প্রতিমা আসত স্পেশাল অর্ডারে, ঠাকুর দেখতে হত উত্তম পত্নীর মুখের আদলে। পুজো অন্তে গানের আসর বসত। ওই একটা দিন প্রকাশ্যে হারমোনিয়াম বাজিয়ে জমজমাট থাকত সারাটি রাত। উত্তম বলতেন কোজাগরী মানে কে জাগরী অর্থাৎ কে জেগে আছো যাঁর বাড়িতে লক্ষ্মী অবস্থান করবেন।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback