মুম্বইয়ে কিছু সংখ্যক সরকারি কর্মচারি এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য আনলক পর্বে চালু হয়েছিল মুম্বই মহানগরীর লোকাল ট্রেন পরিষেবা। এবার রাজ্য সরকারের অনুমতিতে সেখানে পুরোদস্তুর লোকাল ট্রেন চালু হয়ে গেল। মুম্বইয়ের মতো ব্যস্ততম ও বৃহত্তম শহরতলির ট্রেন নেটওয়ার্কে যদি লোকাল ট্রেন চালু হতে পারে তবে শিয়ালদা-হাওড়ায় নয় কেন?

প্রশ্ন তুলছেন বাংলার নিত্যযাত্রীরা। প্রসঙ্গত রাজ্যের অনুমতিতেই লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালাবে সংশ্লীষ্ট রেল বিভাগ এই কথা আগেই ঘোষণা করেছিল রেলমন্ত্রক। সেইমতো বুধবারই মহারাষ্ট্র সরকারের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, রিলিফ রিহাবিলিটশন বিভাগের সচিব কিশোর রাজে নিম্বালকার মধ্য ও পশ্চিম রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দেন। তাঁর লিখিত নির্দেশ ও অনুমতিতেই মহারাষ্ট্রে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করে দেয় মধ্য ও পশ্চিম রেল।
তবে বেশ কয়েকটি নিয়মকানুন লাগু করা হয়েছে যাত্রীদের জন্য। পাশাপাশি বিভিন্ন টাইম স্লট ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাত্রীদের জন্য। যেমন, সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হবে পরিষেবা। সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেনে চাপতে পারবেন সাধারণ যাত্রীরা। টিকিট ও মান্থলি ও পাস নিয়েই ট্রেনে উঠতে পারবেন সাধারণ যাত্রীরা।

এরপর সকাল সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা কিউআর কোড/ আইকার্ড-সহ টিকিট নিয়ে যাত্রা করতে পারবেন। এরপর ফের দুপুর এগারোটা থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীরা ট্রেনে উঠতে পারবেন। পরের ধাপে পাঁচটা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত জরুরি কাজে যুক্তরাই ট্রেনে উঠতে পারবেন।
তারপর রাত আটটা থেকে শেষ ট্রেন পর্যন্ত আবার সাধারণ যাত্রীদের ট্রেনে ওঠার সুযোগ হবে। অপরদিকে মহিলাদের জন্যও প্রতি ঘন্টায় একটি করে লোকাল ট্রেন চালাবে মধ্য ও পশ্চিম রেল। পূর্ব রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, মুম্বইয়ের মতো এই রাজ্যেও লোকাল ট্রেন চালাতে প্রস্তুত তাঁরা। কিন্তু রাজ্য সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় তাঁরা শহরতলির ট্রেন চালাতে পারছেন না।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback