জয়ের পর জো বাইডেন বিশ্বের প্রায় সব রাষ্ট্রপ্রধানের শুভেচ্ছা বার্তা পেলেও এখনও পাননি চারজনের। ২০১৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেতার সঙ্গে সঙ্গেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এইবার বাইডেন এখনও পুতিনের কাছ থেকে কোনও বার্তা পাননি। রাশিয়ার বক্তব্য, সরকারিভাবে ফলপ্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে তাঁরা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রাশিয়ার সঙ্গে বাইডেনের সম্পর্ক তেমন সুখকর নাও হতে পারে। বিশেষকরে, রাশিয়ায় বিরোধী নেতাদের হত্যার চক্রান্তের অভিযোগ ওঠার পর বাইডেন অনেক কঠোর হবেন। তিনি রাশিয়াকে আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য বিপদ বলে বর্ণনা করেছিলেন।
পুতিন ছাড়াও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বার্তাও পৌঁছয়নি বাইডেনের কাছে। ২০১৬ সালে জয়ের পরই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন জিনপিং। তারপর থেকেই অবনতি হতে থাকে দুই দেশের সম্পর্ক। করোনাভাইরাস থেকে বাণিজ্য সবেতেই আক্রমণ তীব্র করতে থাকেন ট্রাম্প। কেন বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানাতে এই দেরি, প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন চিনা সরকারি অফিসাররা। বাইডেন বরাবরই বলে এসেছেন চিনকে তিনি অনেক ভালোভাবে শিক্ষা দিতে পারেন।
শুভেচ্ছা জানাননি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়িপ এর্দোগানও। শাসনকালে এর্দোগানকে খোলাখুলি সমর্থন করে এসেছেন ট্রাম্প। একপ্রকার সাদা চেক দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। বাইডেনের শাসনে সম্পর্কের অনিশ্চয়তা রয়েছে। বাইডেনও বলেছেন, তিনি তুরস্ক নিয়ে উদ্বিগ্ন। শুভেচ্ছা আসেনি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারোর কাছ থেকেও। বোলসোনারোর আশা ছিল, ট্রাম্পই জিতবেন। তাঁর ছেলে এদুয়ার্দো এখন বাইডেনের জেতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদরও শুভেচ্ছা পাঠাননি এখনও।

Post a Comment
Thank You for your important feedback