ইনি বিজেপির আরেক অমিত, সোশাল নেটওয়ার্কের সুচারু কাণ্ডারী। অমিত মালব্য আইটির দায়িত্বে আছেন অনেকদিন। শোনা যায়, অমিত সারাদিন ফেসবুক ঘেঁটে কিছু এমন তথ্য বের করেছেন যা আমজনতার সাথে ওতপ্রোত যুক্ত। তিনি জানেন নানা রাজনৈতিক দলের ফেসবুকের গ্রুপ আছে, এবং এই নেটের কাজ যারা করেন তাঁরা দল অন্ত প্রাণ, নিজেদের পয়সায় নেটের খরচ করে দলের প্রচার চালান। তার দায়িত্বে আসার পর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বিভিন্ন দলের গ্রুপ বা পেজে নিজেদের সমর্থকদের ঢুকিয়ে অবস্থান বুঝে বিজেপি আজ ভারতের নেট জগতের সেরা হতে পেরেছে। পক্ষান্তরে কংগ্রেস অতি দুর্বল। বামেরা এক সময়ে শক্তিশালী হলেও আজ তাদের সিংহভাগই বিজেপির পেজে এসে পোস্ট করছে বা বিরোধী পোস্টে গিয়ে আক্রমণ করছে।
তৃণমূলের সোশাল নেটওয়ার্কও শক্তিশালী। কিন্তু তৃণমূলের অন্তত ১০০র উপর গ্রুপ আছে যাদের নিজেদের মধ্যেই লড়াই। ফলে অমিত মালব্য এসে এই দুর্বলতাগুলোকে ধরে কাজ করবেন। বাস্তব ঘটনা এই যে আগামী বাংলার নির্বাচনের প্রচার মূলত ফেসবুক ইত্যাদি থেকেই প্রচার করতে হবে এই করোনা আবহে। এটা জানা সত্ত্বেও তৃণমূল সব গ্রুপ বা গোষ্ঠীকে এক করার চেষ্টা করেনি। দায়িত্ব দিয়েছিলো ডেরেক ওব্রায়ানকে। কিন্তু ইংরেজি ভাষী এবং দিল্লি অধিবাসী ডেরেক কোনও দিশাই দেখতে পারেনি বলেই অন্দরমহলের বার্তা।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback