বিভীষণের বাড়িতে কী কী খেলেন অমিত শাহ?

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে সোজা বাঁকুড়ায় পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে পুস্পার্ঘ্য নিবেদন করে সোজা রবীন্দ্র ভবনে সাংগঠনিক বৈঠকে চলে যান। বেলা ১টা ৪০ মিনিটে বাঁকুড়ার রবীন্দ্র ভবন থেকে সপার্ষদ পৌঁছে যান চতুরদিহি গ্রামে। সেখানেই এক আদিবাসী পরিবারে দুপুরের খাওয়া সারেন অমিত সাহ সহ বিজেপি নেতৃত্ব। বিভীষণ হাঁসদা নামে ওই আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাড়িতে তাই সকাল থেকেই ছিল সাজসাজ রব। কাঠের জ্বালে মাটির পাত্রে স্থানীয় রীতিতেই চলে রান্নাবান্না।

 

দুপুর তিনটে নাগাদ তাঁর বাড়িতে পৌঁছান অমিত শাহরা। বাড়ির গেটেই তাঁদের স্বাগত জানান বিভীষণের পরিবারের ছয়জন সদস্যই। এরপর পরিপাটি করে সাজানো খাবারের জায়গায় গিয়ে বসেন বিজেপি নেতারা। ঘরের মাটির দেওয়ালে অলচিকি ভাষায় লেখা ‘অমিত শাহ স্বাগতম’। মাটিতেই আসন পেতে খাওয়ার ব্যবস্থা। অমিত শাহও মাটিতে বাবু হয়ে বসে পড়েন বিজেপির রাজ্য ও জেলা নেতাদের সঙ্গে। সেখানে খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের ওপর কাঁসার থালা, তার ওপর ছিল বাঙালি রীতিতে কলাপাতা।


 

অমিত শাহর জন্য মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে ছিল গরম ভাত, ডাল, আলু পোস্ত, করলা ভাজা, পটল ভাজা, পোস্ত বোড়া, বেগুন ভাজা, শাক ভাজা, চাটনি, ডিংলার (কুমড়ো) ঝাল ও চাটনি। অমিত শাহর জন্য বাংলার রসগোল্লাও ছিল, কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি রসগোল্লা বা কোনও মিস্টিই মুখে তোলেননি। বাড়ির মহিলারাই এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য রান্না করেন সমস্ত করোনা বিধি মেনে। একদিকে দিলীপ ঘোষ ও আরেক পাশে বাড়ির কর্তাকে নিয়ে মাটিতেই বাবু হয়ে বসে পরম তৃপ্তf ভরে অদিবাসী পরিবারের সঙ্গে মহ্যাহ্নভোজ সারলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

পরে টুইটারে কয়েকটি ছবি শেয়ার করে নিখাদ বাংলায় অমিত শাহ লেখেন ‘চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদাজির বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনও শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না’। এদিন অমিত শাহর সঙ্গে বসেই দুপুরের খাওয়া সারলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও।

 

Post a Comment

Thank You for your important feedback

Previous Post Next Post