গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে বৃহস্পতিবারই কলকাতার চারটি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবারই এল বড় সাফল্য। অবশেষে গরুপাচারের ‘কিংপিন’ এনামুল হককে গ্রেফতার করল সিবিআই। দিল্লি থেকেই নিজেদের জালে তোলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগেও একটি ঘুষের মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল এনামুল। বিএসএফের এক কমান্ডান্ট জিবু ডি ম্যাথিউকে ঘুষ মামলার তদন্ত করতে গিয়েই সিবিআই খোঁজ পায় আন্তর্জাতিক গরুপাচারের সিন্ডিকেটের কথা।
এর তদন্ত শুরু করতেই সিবিআইয়ের নজরে আসে একের পর এক রাঘববোয়ালের যোগ। তবে হদিস মিলছিল না এনামুলের। এবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিল্লি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। গত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে সিবিআই কলকাতা শাখা অফিসে গবাদি পশু পাচার নিয়ে আলাদা একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। তল্লাশি চালানো হয় সতীশ কুমার নামে এক বিএসএফ আধিকারিকের সল্টলেকের বাড়িতে। এরপর থেকেই এনামুলের খোঁজ শুরু করে সিবিআই। তাঁর বেনিয়াপুকুরের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গরু পাচার করত এনামুলের সিন্ডিকেট। আর পাচারে সহায়তা করার বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের টাকা পেতেন বিএসএফ ও পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার এনামুলকে জেরা করলেই নাম আসবে আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর। শুক্রবারই এনামুলকে দিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসার চেষ্টায় সিবিআই।


Post a Comment
Thank You for your important feedback