কথিত আছে, রাবণকে বধ করেন রামচন্দ্র দশমীর দিন। তারপর দেশের উদ্দেশে রওনা হন। পঞ্চমীর দিন ছিল পূর্ণিমা, ওইদিন রাম সীতাকে নিয়ে সারারাত জেগে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা করেন। সবশেষে অযোধ্যার প্রায় কাছে আসার সময়ে ভরত খবর পান তাঁর দাদা তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ফিরছেন কিন্তু সময়টা ছিল অমাবস্যা। ভরত আদেশ দেন দেশবাসীকে দেশ জুড়ে সবাই প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখো। সেইমতো প্রদীপের আলোয় রাম গৃহলক্ষ্মী সীতাকে নিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করে। এই ছিল দীপাবলির পুরাণের কাহিনী
বাস্তবেও সারা দেশ দীপের আলোয় আলোকিত করে রাখে। ইদানিং প্রদীপ বা মোমবাতি বিদায় করেছে আম নাগরিক। করোনা আবহে বাজি নিষিদ্ধ হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। কিন্তু নিষেধ নেই প্রদীপ জ্বালানোয়। তাই ওই গরিব কুমোর বা মোমবাতি শিল্পীদের দিকে তাকিয়ে এ রাজ্যের মানুষ কি পারেন না টুনি লাইট বাদ দিয়ে সত্যিকারের দীপান্বিতা করতে?
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback