১৯৯৭/৯৮ ওই একটা বছর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসু শব্দবাজি বন্ধ করতে পেরেছিলেন যা কিনা ভারতের একটা রেকর্ড। কিন্তু ওই অবধি। পরের বছর থেকে পুরোদস্তুর ফেটেছিল কান ফাটানো শব্দবোমা। শোনা যায় সিপিএম পার্টির অভ্যন্তরে এই বন্ধ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ হয়েছিল। এই বছর করোনার কারণে কোর্টের আদেশ কোনওরকম আতশবাজি পোড়ানো যাবে না। কিন্তু মানা হবে কি?
লুকিয়ে বিস্তর বাজি বিক্রি হচ্ছে, শব্দবাজিও এবং রবিবার থেকে তার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। সরকারের কাছে তথ্য আছে কলকাতায়, বিশেষ করে বিধাননগর, বড়বাজারে প্রচুর বাজি ফাটে। এখন রুখবে কে, প্রতিবাদই কে করবে? সামনে বিধানসভা নির্বাচন ফলে এই সব স্পর্শকাতর বিষয়ে হাত দিয়ে জনপ্রিয়তা হারাতে নারাজ কোনও পার্টিই। তা সে যতই কোর্টের নির্দেশ থাকুক না কেন।
Post a Comment
Thank You for your important feedback