অসমের পরই বাংলার স্থান সংখ্যালঘু ভোটের নিরিখে। বেসরকারিভাবে ৩৮শতাংশ। এখন প্রত্যেকটি দলের টার্গেট মুসলিম ভোট। মঙ্গলবার অবশ্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন যে, তাঁরা সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে রাজনীতি করেন না। অন্য প্রশ্নের উত্তরে জানান মিম নামক দলটি প্রার্থী দেবে কিনা তা নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নেই। অবশ্য তৃণমূল বা কংগ্রেস বা বামেদের আছে। তারা ত্বহা সিদ্দিকি সহ বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছে।
তৃণমূলের কাছে অবশ্যই মিম দলটি বেশ চাপের, অসম, বিহারের মতো যদি আসাউদ্দিন ওআইসিস 'মিম' যদি মুসলিম ভোট কাটে তবে তাদের ভোট শতাংশ কমতে বাধ্য। ফলে এই ভোট ধরে রাখতে তারা অলআউট খেলতে চাইছে। এরই মধ্যে বিহার নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর দেখা গিয়েছে সরকারি দলে কোনও মুসলিম প্রতিনিধি নেই। বিজেপিতে কোনও প্রার্থীই ছিল না নীতীশবাবুর এগারো জন প্রার্থীর সকলেই পরাজিত। ফলে স্বাধীনতা উত্তর যুগে বিহার মন্ত্রিসভায় কোনও মুসলিম মন্ত্রী থাকছেন না।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback