এই সভার পরই শাসকদলের তরফে আরেকটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেটি বিকেল ৩টেয় হবে তৃণমূলের মূল কর্মসূচি #নন্দীগ্রামহাজরাকাটাচলো। এই সভায় মূল বক্তা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি এই সভাতে থাকবেন পূর্ণেন্দু বসু, দোলা সেন সহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, হাজরাকাটার সভায় উপস্থিত থাকতে পারেন শুভেন্দুর বাবা তথা বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীও। এই সভার দায়িত্ব এবার নেই শুভেন্দু। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ সুফিয়ান। ফলে সভা-পাল্টা সভায় এবারের নন্দীগ্রাম দিবস নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ সুফিয়ান
গত ৩১ অক্টোবর নন্দীগ্রামের এক সভা থেকে গোকুলনগরের এই শহিদ স্মরণ সভার ডাক দিয়েছিলেন ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সেদিনই নন্দীগ্রাম ও খেজুরি ব্লকের মানুষদের এই সভায় যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপরই ‘আমরা দাদার অনুগামী’ এই নামে ব্যানার-হোর্ডিংয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত ভরে যায়। ফলে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে শুভেন্দুর সভায় ভিড় উপচে পড়তে চলেছে। তবে দাদার অনুগামীদের ব্যানার পূর্ব মেদিনীপুরেই থেমে নেই। পুরো জঙ্গলমহল ছাড়িয়ে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদা, পুরুলিয়া, হুগলি ও হাওড়াতেও দেখা গিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত গোকুলনগরে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় প্রচুর মানুষের সমাগম হবে।
ফলে সাবধানেই জল মাপতে চাইছে শাসকদলের শীর্ষনেতারা। দলীয় প্রতীক না থাকলে কোনও সভায় কর্মীদের যোগ না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন দলের পূর্ব মেদিনীপুরের সহ সভাপতি অখিল গিরি। তবুও নিজেদের মূল কর্মসূচির সময় বিকেলের দিকেই রেখেছেন তৃণমূল নতৃত্ব। শুভেন্দুর সভায় কত লোক হয় সেটা দেখতে তায় শাসকদল।




Post a Comment
Thank You for your important feedback