আশঙ্কা সত্যি করে প্রায় জলশূন্য দুর্গাপুর ব্যারেজ। ফলে পানীয় জলের তীব্র আকাল দেখা দিয়েছে দুর্গাপুর ও বাঁকুড়ার বিস্তৃর্ণ এলাকায়। দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে বাঁকুড়া জেলার ১৪টি ব্লকে সরবরাহ করা হয় পানীয় জল। দুর্গাপুর ব্যারেজ জলশূন্য হওয়ায় ওই ১৪টি ব্লকে নলবাহিত পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ। পাশাপাশি পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে গোটা দুর্গাপুরের ৪১টি ওয়ার্ড সহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতেও। রবিবার থেকেই পানীয় জলের আকাল দেখা দিতে শুরু করে। সোমবার তা তীব্র আকার নিয়েছে।
দুর্গাপুর ও বাঁকুড়া পুরসভা সহ স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি নিজেদের জল সরবরাহের বিকল্প ব্যাবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নাজেহাল। এই অবস্থায় দুই জেলায় জল সঙ্কট মেটাতে কোমর বেঁধে নেমেছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর।
ইতিমধ্যেই ৩৬ টি ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পানীয় জল সরবরাহ শুরু হয়েছে বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়া পুর এলাকা সহ বাঁকুড়া ১ নম্বর , ২ নম্বর ব্লক ও বড়জোড়া ব্লক এলাকায় জলসঙ্কট তিব্র আকার নিতে পারে এই আশঙ্কায় তিনটি মোবাইল
ট্রিটমেন্ট ইউনিট রাখা হয়েছে। এই ইউনিট গুলির সাহায্যে প্রতিদিন তৈরী করা হচ্ছে হাজার হাজার জলের পাউচ প্যাকেট। জলাভাবের খবর মিলতেই সেই জায়গায় পাঠানো হচ্ছে এই পাউচগুলি।
সকাল থেকে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা ঘুরে ঘুরে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সমস্ত ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। কোনওভাবেই জলসঙ্কট তৈরি হতে না দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। অপরদিকে দুর্গাপুরের মেয়র দিলীপ অগস্থি জানিয়েছেন, ''ব্যারেজে সমস্যা হওয়ার ফলে দুর্গাপুর জুড়ে পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত মোকাবিলা করেছে করপোরেশন। আমরা সব ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত জলের ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে পানীয় জলের সংকট দূর করার চেষ্টা করছি।''



Post a Comment
Thank You for your important feedback