বৃহস্পতিবার অষ্টম তথা শেষ দফার ভোট রাজ্যে। প্রথম দফার সঙ্গে একেবারেই বিপরীত পরিস্থিতিতে ভোট হচ্ছে এবার। করোনা আবহে ভোট শুরু হলেও এতটা ভয়ঙ্কর অবস্থা ছিল না সংক্রমণের। কিন্তু শেষ তিন পর্বে পশ্চিমবঙ্গেও প্রবল ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণ। ভোটের কাজে যেতেই হবে অতএব সংক্রমণের আশঙ্কা নিয়েই কাজে নামছেন ভোটকর্মীরা। এরপরও বিভিন্ন ডিসিআরসি কেন্দ্রগুলিতে দেখা যাচ্ছে সচেতনতার অভাব। ভিড়ে ঠাসা অবস্থা, রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি করেই ইভিএম ইউনিট সংগ্রহ করতে হচ্ছে ভোটকর্মীদের। এই নিয়ে ক্ষোভও ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। ভোটকর্মীদের এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর দিচ্ছেন, 'কি আর করার আছে, কপালে কি আছে জানি না'। চিকিৎসক মহল থেকে পুলিশ বা ব্যাঙ্ক কর্মীর মতই গুরুদায়িত্ব পালন করছেন ভোট কর্মীরা। কিন্তু তাঁদের সমস্যা অন্য জায়গায়, একটি অফিস থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে সম্পূর্ণ অজানা জায়গায় ভোট করতে যেতে হচ্ছে। সেখানে খাওয়া দাওয়া, স্নান, জল ইত্যাদি সর্ব ক্ষেত্রেই করোনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে ভোটকর্মীদের। যদিও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে বলেই জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। বৃহস্পতিবার অষ্টম দফার ভোটের পর আগামী ২ মে গণনা। ফলে করোনা পরিস্থিতিতে ভোট করানো এবং ভোটগণনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের।
সংক্রমণের আশঙ্কা সত্বেও শেষ দফার ভোটের দায়িত্বে প্রস্তুত ভোটকর্মীরা
0
April 28, 2021
Tags
Thank You for your important feedback