‘লাদাখ চিনের অংশ’, টুইটারের জবাবে অসুন্তুষ্ট সংসদীয় কমিটি

লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকা সহ লে শহরকে চিনের অংশ হিসেবে দেখানোয় এর আগেই টুইটারের ওপর চটেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর টুইটার কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় যৌথ সংসদীয় কমিটি। বুধবার যৌথ সংসদীয় কমিটির সামনে হাজিরা দিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করে টুইটার কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই ব্যাখ্যায় যে মোটেই খুশি নয় এই কমিটি সেটা পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিলেন কমিটির চেয়ারম্যান মীনাক্ষী লেখি। টুইটারের জবাবে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেই জানিয়েছেন, ‘টুইটারের এই সাফাই ‘যথেষ্ট নয়’, এটা ফৌজদারি অপরাধ’। এমনকী, সংবাদসংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেছেন, ‘লাদাখকে চিনের অংশ হিসাবে দেখানোয় ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। এই গুরুতর অপরাধে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হওয়া উচিত’। এরআগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব একটি চিঠি লিখে টুইটারকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। ওই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘ভারতীয় নাগরিকদের আবেগকে সম্মান দিন। এছাড়াও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতাকে অসম্মান করার কোনওরকম চেষ্টা বেআইনি এবং গ্রহণযোগ্য নয়। তা সে মানচিত্রেই প্রতিফলিত হোক না কেন’। ফলে সব দিক থেকেই চাপে এখন টুইটার। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই লাদাখের লে শহরে গিয়ে টুইটারে একটি লাইভ ভিডিওতে ‘জিও লোকেশন ট্যাগ’ করেন এক সংবাদকর্মী। সেখান থেকেই সূত্রপাত যাবতীয় বিতর্কের। কারণ, ওই জিয়ো লোকেশনেই লে শহর‌কে চিনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যা একেবারেই ভালো চোখে নেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। এবার টুইটারকে একহাত নিল যৌথ সংসদীয় কমিটিও।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

Previous Post Next Post