বৃহস্পতিবার বিকেলেই নবান্নে রেল ও রাজ্যের চুরান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই ফের বিক্ষোভ-অবরোধে উত্তাল হল দক্ষিণ বারাসত স্টেশন। শিয়ালদা সাউথ সেকশনের এই স্টেশনে এদিন পুরোদস্তুর ট্রেন চালানোর দাবিতে অবরোধ করে সিপিএমের যুব সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা। ফলে একটি স্টাফ স্পেশাল ট্রেন আটকে যায়। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় রেলরক্ষীবাহিনী ও জিআরপি। তাঁরা অবরোধকারীদের সরে যাওয়া অনুরোধ করলেও বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখেন স্টাফ স্পেশাল ট্রেনটি।
ডিওয়াইএফআই নেতৃত্বের দাবি, সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকার লোকজন কলকাতা বা শহরের কাছাকাছি অন্য জায়গায় জীবিকার সন্ধানে আসেন। ট্রেন বন্ধ হওয়ার পর থেকে চরম সমস্যায় রয়েছেন তাঁরা। কারণ, তাঁদের কাছে যোগাযোগের একটাই মাধ্যম হল রেল। কিন্তু সীমিত সংখ্যক ট্রেন চললে সমস্যায় পড়বেন অধিকাংশ নিত্যযাত্রী। তাই পুরোদস্তুর ট্রেন চালানো হোক সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বার্থে। রেলের আধিকারিকরা অবরোধকারীদের বলেন, আজই চুড়ান্ত বৈঠক হবে, সেখানেই ঠিক হবে ট্রেনের সময়সারণী।এরপরই অবরোধ তুলে নেয় ডিওয়াইএফআই।
অপরদিকে, স্টাফ স্পেশাল ট্রেনগুলিতেই অবাধে উঠে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। রেলরক্ষীবাহিনী ও রেল পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে পরিস্থিতি। বুধবার বিকেল থেকেই অসংখ্য সাধারণ যাত্রীর ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে ওই বিশেষ ট্রেনগুলিতে। বৃহস্পতিবার সকালেও বনগাঁ শাখার হাবড়া স্টেশনে ভিড়ের চাপে স্টাফ স্পেশাল ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে জখম হয়েছেন মা ও সন্তান। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারের বৈঠকেই ঠিক হবে কবে থেকে কতগুলি লোকাল ট্রেন চলবে হাওড়া ও শিয়ালদা ডিভিশনের বিভিন্ন সেকশনে। কিভাবেই বা ভিড় এড়িয়ে বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীদের ট্রেনে ওঠানামার ব্যবস্থাপনা করা হবে। তার আগেই এই অবরোধ চিন্তায় ফেলল রাজ্য ও রেলের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের।



Post a Comment
Thank You for your important feedback